Wednesday, 1 August 2012

Political Business in BD and Permanent Solution for Clean Governance

Political Business in BD and Permanent Solution for Clean Governance
Mo Chaudhury, August 1, 2012

CAVEAT: PLEASE DO NOT TAKE THIS AS AL/BNP ISSUE.

The following is just one of too many instances of the severe moral decadence of student and political leaders (holding office or not) that shows no sign of abating soon. [Few weeks ago, a similar incident took place in my home town Laxmipur]. In the incident below, when law enforcement force (RAB) arrested the culprits, the local students barricaded an important road/artery in protest against the arrest of their leader. It is more likely than not that the arrested culprits would soon be out on the streets if the experience of last few years is any guide.

Granted that there is corruption in public administration and law enforcement force. But in the end, the buck stops at the top, it is the senior leadership of the political parties that set the de facto moral standards for the country as a whole. The first and the most important thing that any ruling party can do is to eradicate the culture of influencing the actions of the law enforcement force and the courts. Realistically this won't be done by the current political parties anticipating that the competing parties may not follow the same clean route when they come to power.

So, this is my proposal.

Legislation Clean Governance Bangladesh (CGB)

A. Legislate into constitution that the Home and Justice Ministries will be led by the members of the main opposition party in the legislature, and
B. Legislate into constitution that the constitution can be amended only through 60%+ support in a referendum that must have participation rate  of 60%+.

What do you think?

+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-08-01/news/278525

অপহরণের অভিযোগে ছাত্রলীগের ৬ নেতা-কর্মী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী | তারিখ: ০১-০৮-২০১২
র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব) রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও চারঘাট পৌরসভার কাউন্সিলরসহ ছয়জনকে আজ বুধবার বিকেলে আটক করেছে। দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবিতে ব্যবসায়ী হাসান আলীকে অপহরণের অভিযোগে তাঁদের আটক করা হয়
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন চারঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি একরামুল হক (৩৮), চারঘাট পৌর কাউন্সিলর বুলবুল আহম্মেদ (২৯), তাঁর ভাই টিটন হোসেন (১৯), তাঁদের সহযোগী মতিউর রহমান (২১), জাহাঙ্গীর আলম (২৮) ও মাসুদ রানা (২২)। তাঁদের সবার বাড়ি চারঘাট উপজেলার মেরামতপুর গ্রামে।
অপহূত হাসানের বাবার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, হাসান আলী বাবার সঙ্গে আমের ব্যবসা দেখাশোনা করেন। তাঁর বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বিনোদপুর গ্রামে। আটক ছাত্রলীগের নেতারা তাঁর পূর্বপরিচিত। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে আসামিরা বাঘায় যাওয়ার নাম করে হাসান আলীকে মোটরসাইকেলে করে চারঘাটে নিয়ে যান। তাঁরা তাঁকে চারঘাটের পৌর কাউন্সিলর বুলবুলের বাড়িতে আটকে রাখেন। পরে মুঠোফোনে তাঁর বাবার কাছে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। এরই এক ফাঁকে হাসানকে অন্য আরেকটি বাড়িতে স্থানান্তর করা হয়।
হাসানের বাবা বিষয়টি র‌্যাবের রাজশাহী রেলওয়ে কলোনি ক্যাম্পে অভিযোগ করেন। বিকেল পাঁচটার দিকে র‌্যাব চারঘাটে অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগের নেতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে।
র‌্যাবের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এইচ এম আনোয়ার আলী প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর র‌্যাব অভিযান চালিয়ে হাসান আলীকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
এদিকে ছাত্রলীগের সভাপতিকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে নেতা-কর্মীরা টায়ার জ্বালিয়ে চারঘাট-রাজশাহী সড়ক অবরোধ করেন


No comments:

Post a comment